মায়ের হাতে তীর-কামান, মেয়ের শরীরে গুলি। “পরিণীতা” সিরিয়ালে অবশেষে দেখা হলো মা ও মেয়ের.!

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে গতকাল হয়ে গেল সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি, যেটি দেখার জন্য দর্শকমহল অধির আগ্রহে অপেক্ষা করেছিল। হ্যাঁ, তোমরা একদম ঠিক পড়ছো, গতকালের এপিসোডে সাক্ষাৎ হয়ে গেল পারুল ও তার জন্মদাত্রী মায়ের। 😱

তো রায়ান থেকে শুরু করে সৌমিত্র বাবু এবং সেই প্রাক্তন পুলিশ অফিসার, সবাই যখন পারুলকে ফিরে যাওয়ার কথা বলে, তখন পারুল চুপচাপ কাউকে না বলেই জঙ্গলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। 👀 কিন্তু সে জানতোই না যে শিরিনের মায়ের পাঠানো সেই দুটো গুন্ডা বাইরে তার জন্যই অপেক্ষা করেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তারা যখনই পারুলকে একা পেয়ে যায় তারা তার ওপর গুলি চালানো শুরু করে। 😱 ওদিকে রায়ানেরা যখন পারুলকে দেখতে পায় না তখন তারা বাইরে বেরিয়ে আসে। এরপর তারা যখন গুলির আওয়াজ শুনতে পায়, তখন তারা প্যানিক করা শুরু করে। এরপর তারা পুলিশ ফোর্স নিয়ে পারুলকে খুঁজতে জঙ্গলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। এদিকে পারুল ঐ গুন্ডাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য জঙ্গলের ভেতরে ছুটতে থাকে। 👀 কিন্তু শেষ রক্ষাটা তার আর হয় না। অন্তিম মুহূর্তে ওই দুইটা গুন্ডা তাকে দেখতে পেয়ে যায় এবং তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেই গুলি গিয়ে লাগে পারুলের বাম হাতে এবং সে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে। 🥺

কিন্তু এর পরেই যখন ওই দুটো গুন্ডা পারুলকে শেষ করতে যায়, তখনই দূর থেকে একটি তীর এসে লাগে একটি গুন্ডার বুকে। 😱 স্বাভাবিকভাবেই তখন দ্বিতীয় গুন্ডাটি ভয় পেয়ে যায়। সে তখন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তার পায়েও একটি তীর এসে লাগে। যদিও সেই গুন্ডাটি সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। 👀 এরপরেই আমরা দেখতে পাই এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি। মানে আমরা দেখতে পাই স্বয়ং পারুলের মা তীর চালাতে চালাতে পারুলের দিকে আসছে। 😱 শুধু তাই নয়, এরপর সে যখন পারুলকে ওইভাবে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে, তখন সে তার সঙ্গীদের সাহায্যে পারুলকে তাদের গ্রামে নিয়ে যায়। 😱

এদিকে রায়ানেরাও খুঁজতে খুঁজতে এই জায়গায় এসে পড়ে যেখানে একটি গুন্ডা তীরবৃদ্ধ হয়ে লুটিয়ে মরে পড়ে রয়েছে। 👀 তখন তাদের আর বুঝতে বাকি থাকে না, যে কেউ এই গুন্ডাটিকে মেরে পারুলকে তাদের সাথে নিয়ে গিয়েছে। তাছাড়া এরপর তারা খবর পায়, যে কিছু আদিবাসী একটি মেয়েকে অচৈতন্য অবস্থায় তাদের গ্রামে নিয়ে গেছে। 😱

ওদিকে আবার দেখতে পাই পারুলের মা সেবা যত্ন করে পারুলের জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে। তার গুলি লাগার জায়গায় ওষুধ লাগিয়ে দেয়। কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হয়ে গেলেও পারুলের যখন জ্ঞান ফেরেনা, তখন অধৈর্য হয়ে পড়ে পারুলের মা। সে পারুলের প্রতি একটা টান অনুভব করতে থাকে। পারুলকে দেখে তার মনে হয়, সে যেন তার বহু দিনের পরিচিত কেউ। পারুলকে ঐ অবস্থায় দেখে তারও যেন ভেতরে ভেতরে খুব কষ্ট হতে থাকে। 🥺

So বুঝতেই তো পারছো, এটা হচ্ছে নাড়ির টান, এক মায়ের সাথে তার মেয়ের সম্পর্কের টান। 🥰 কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে পারুলের তো জ্ঞান ফেরেনি.! জ্ঞান ফিরলে সে না হয় তার মায়ের সম্পর্কে ওই গ্রামবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারতো.! সুতরাং সে তো তার মাকে আর চিনতে পারবে না। উল্টোদিকে তার মা-ও তো জানেনা, যে পারুলই তার মেয়ে.! 💔 তো কি মনে হয় শেষ পর্যন্ত কি হতে চলেছে.? 🤔 পারুলের কি আদৌ জ্ঞান ফিরবে.? 🤔 আর যদি সত্যিই তার জ্ঞান ফিরে আসে, তাহলে সে কি তার মাকে আদৌ চিনতে পারবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates