আর্য ও অপর্নার মন্দিরে হওয়া বিয়ে মানতে নারাজ মীরা। তাই তাদের আলাদা করতে সে নিল এবার চরম পদক্ষেপ.! 😱

জি বাংলার চিরদিনই তুমি যে আমার 26 October এপিসোডে নতুন টুইস্ট! 👀 মীরা ও কিংকরের চক্রান্তে ভাঙবে কি আর্য-অপর্ণার সম্পর্ক? পড়ুন বিস্তারিত রিভিউ ও এক্সপ্লেন।

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালে আমরা সম্প্রতি দেখতে পেয়েছি মা রুদ্র মাতঙ্গীর মন্দিরে অপর্নাকে বাঁচাতে তাকে সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করে আর্য। 👍 আর দুজনের বাড়ি থেকেই এটাকে মেনে নেওয়া হয়। কিন্তু সাথে রাজলক্ষ্মী দেবী এটাও জানান, যে ধুমধামভাবে অনুষ্ঠান করেই অপর্ণাকে তাদের বাড়ির বউ হিসেবে নিয়ে যাবেন তিনি। 😱

স্বাভাবিকভাবেই সমস্ত ঘটনাটা অপর্ণা যখন জানতে পারে, তখন সে খুবই খুশি হয়। তার ওপর রাজলক্ষী দেবী তাকে আর্যর অতীত সম্পর্কে, তার জন্ম পরিচয় সম্পর্কে, রাজলক্ষী দেবীর সাথে তার কি সম্পর্ক, এই সমস্ত কিছু খুলে বলে। ফলে অপর্নার মনে আর কোন সংশয় থাকে না। সে এবং আর্য ঠিক করে যতদিন না পর্যন্ত তাদের বিয়ে হচ্ছে, ততদিন তারা তাদের প্রেমটাকে চুটিয়ে উপভোগ করবে। 🥰 সেই মতো তারা দুজন দেখা করার সিদ্ধান্ত নেয় সেই জায়গায়, যে জায়গায় তাদের প্রথমবার দেখা হয়েছিল। 😱

এদিকে বহুদিন পর অপুকে এত হাসি খুশি দেখে খুবই খুশি হয় অপুর মা-বাবাও। স্বাভাবিকভাবেই বহুদিন পর সমস্ত কিছু আবার খুব ভালই হচ্ছিল। কিন্তু ওই যে কথায় বলে না, কারো পৌষ মাস তো কারো সর্বনাশ। আর যখন কারো খুব ভালো হয়, যখন সেই ভালো দেখে অন্যের আবার জ্বালাও হয়। 😜 আর সেই জ্বালাটাই এবার শুরু হয়েছে মীরার। 👀

তো আমরা দেখতে পাই কিংকর শেষ পর্যন্ত আর্য এবং অপর্ণাকে আলাদা করতে না পেরে মীরার সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অফিসে গিয়ে আর্য এবং অপুর বিয়ের ছবিগুলো মীরাকে দেখায়। স্বাভাবিক ভাবেই সেই ছবিগুলো দেখে একেবারে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় মীরা। সে রেগে একেবারে আগুন হয়ে যায়। সে কিছুতেই এটা মানতে চায় না, যে মন্দিরে সবার উপস্থিতিতেই আর্য এবং অপর্নার বিয়েটা হয়ে গেছে। সে কিংকরের ওপরে চোটপাট করা শুরু করে। সে কিংকরকে বলে, তুমি তো খুব বলেছিলে, যে তুমি নাকি আর্য এবং অপর্ণাকে কিছুতেই এক হতে দেবে না.? 🤔 তখন কিংকর বলে আমি তো আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছিলাম। 👀

মীরা বলে এই বিয়ে আমি কিছুতেই মানি না। আর যেহেতু এটা কোন সোশ্যাল ম্যারেজ বা আইন অনুযায়ী নয়, তাই আমি তো এর শেষ দেখেই ছাড়বো। আমি কিছুতেই এটাকে সত্যি হতে দেবো না। আমি আর্য এবং অপর্ণাকে আলাদা করেই ছাড়বো। কারণ আর্য শুধু আমার। 😱 এরপরই মীরা কিংকরকে বলে, এরপর থেকে আমি যা কিছু করব, সবেতেই কিন্তু তোমাকে আমার সঙ্গ দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই আর্য ও অপর্ণাকে আটকানোর আর কোনো পথ না থাকায় কিংকরও মীরার কথায় রাজি হয়ে যায়। 😱

এদিকে আজকের প্রিক্যাপে আবার দেখতে পাচ্ছি আর্য অপর্ণার সাথে দেখা করে তাকে বলে, তাকে নাকি কাজের সূত্রে বেশ কিছুদিন কলকাতার বাইরে যেতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই এটা শুনে ভেঙ্গে পড়ে অপর্না। 🥺

So হঠাৎ করেই আর্যকে যে কাজের সূত্রে কলকাতার বাইরে যেতে হচ্ছে.! আচ্ছা, এর পেছনে মীরার কোন কারসাজি নেই তো.? 🤔 সে প্ল্যান করেই আর্যকে অপর্ণার থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে না তো.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates