কিংকর ও মীরার দ্বিমুখী আক্রমণে দিশেহারা অপর্ণা.! সে কি পারবে এই ঝড় সামলে আর্যর তার ওপরে করা বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে.? 🤔

যদি জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলোর নাম বলা হয়, তাহলে “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালটির নাম তালিকার উপরের দিতেই থাকবে। এই সিরিয়ালটি যেমন তার ইউনিক গল্প এবং প্রেজেন্টেশন দিয়েই দর্শকদের বেঁধে রাখতে সক্ষম হয়েছে। তেমনি কলাকুশলীদের দুর্দান্ত অভিনয় যেন আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে এই সিরিয়ালের লিড আর্য এবং অপর্ণার চরিত্রে জিতু কমল এবং দিতিপ্রিয়া রায়ের অনবদ্য অভিনয় এই সিরিয়ালটিকে যেন এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। 👍

তো এই সিরিয়ালটিতে এই মুহূর্তে আমরা দেখতে পাচ্ছি আর্যকে হঠাৎ তার ব্যবসার কাজে দেশের বাইরে অনির্দিষ্টকালের জন্য চলে যেতে হয়। ফলে যাওয়ার আগে সে তার কলকাতার অফিসের প্রায় সমস্ত দায়িত্ব অপর্নার হাতে তুলে দিয়ে যায়.! 😱 যদিও তার এই কোম্পানির সবথেকে পুরনো কর্মচারী মীরা এইসবের কিছুই জানতো না। ফলে আর্য চলে যাওয়াতে সে মনে মনে খুব খুশি হয়। কারণ সে চায় এই সুযোগে অপর্ণাকে জব্দ করে আর্যর সামনে এটা প্রমাণ করতে, যে অপর্ণা কোন মতেই এই কোম্পানির জন্য যোগ্য নয়। 😱

কিন্তু খেলার মোড় তখন ঘুরে যায়, যখন মীরা এটা জানতে পারে যে, আর্যর অবর্তমানে কোম্পানির সমস্ত দায়িত্ব সে অপর্ণাকে দিয়ে গেছে। 👀 স্বাভাবিকভাবেই এটা শোনার পর সে আরো রেগে যায়। তখন সে অপর্নাকে জব্দ করতে আর্যর সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে, আর্য যে অপর্নাকে সিঁদুর পরিয়েছে সেটা নিয়ে অপমান করতে থাকে। 🥺 কিন্তু এইবার অপর্ণা আর চুপ করে থাকে না। সে মীরাকে বুঝিয়ে দেয় সে কিন্তু আর সেই ভয় পেয়ে গুটিয়ে থাকা আগের সেই অপর্ণা নয়.! একদিকে সে যখন এখন অনেক পরিণত, অন্যদিকে এই মুহূর্তে কিন্তু কোম্পানির দায়িত্ব এখন তার ওপরে। তাই মীরা যেন ভুল করেও আর তার পেছনে না লাগতে আসে। 😱

কিন্তু এই মীরা যে হচ্ছে কুকুরের লেজের মতো বাঁকা। তাকে যতই তুমি চোঙা দিয়ে সোজা করার চেষ্টা করো না কেন, সে কখনো সোজা হবে না। 😜 তাই সে ঠিক করে, অপর্ণার করা এই অপমানের জবাব সে অপর্ণাকে ঠিক সময় ফিরিয়ে দেবে। সাথে সে আর্যকে এটাও প্রমাণ করে দেবে, যে অপর্ণা এই কোম্পানির জন্য ঠিক কতটা অযোগ্য। 👀 আর যেহেতু কোম্পানির ফান্ডের দায়িত্ব এই মুহূর্তে রয়েছে মীরার হাতে, তাই সে ঠিক করে অপর্নাকে আটকাতে তার এই হাতিয়ারটাকেই ব্যবহার করবে.! সে ঠিক করে অপর্নার নতুন প্রজেক্টের জন্য যে ফান্ডের প্রয়োজন, সেটা সে আটকে দেবে.! 😱

উল্টোদিকে আর একজন হচ্ছে স্বয়ং কিংকর। যেও কোনমতেই চায়না আর্য এবং অপর্নাকে এক হতে দিতে। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরেও সে যখন সফল হতে পারেনা, সে তখন অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করা শুরু করে। আমরা দেখতে পাই অপর্ণা যখন আর্যর অবর্তমানে কোম্পানি চালাতে কিংকরের কাছে সাহায্য চায়.! তখন কিংকর তাকে সরাসরি মানা করে দেয়। 😱 মানে আমরা দেখতে পাই অপর্ণা কিংকরকে বলে, যে আমি তো নতুন এবং কোম্পানির চালানোর ব্যাপারে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ, তাই আপনি আমাকে গাইড করবেন.? 🤔 তখন কিংকর তাকে বলে, সরি…আমার দায়িত্ব তোমাকে হেল্প করা নয়। 👀

So বুঝতেই তো পারছো অপর্ণা এই মুহূর্তে দ্বিমুখী আক্রমণের মাঝে কিভাবে ফেঁসে রয়েছে.! 🥺 একদিকে যেমন মীরা সময়ে ফান্ড আটকাতে চাইছে.! তেমনি অপরদিকে কিংকর সম্পূর্ণভাবে তার হাত গুটিয়ে নিয়েছে। 😱 তাই এখন শুধু এটাই দেখার, এই দ্বিমুখী আক্রমণ সামলে অপর্ণা ঠিক কিভাবে আর্যর অবর্তমানে এই কোম্পানিকে সাফল্যের সাথে চালাতে পারে.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অপর্ণা কি পারবে আর্যর মান রাখতে.? 🤔 নাকি শেষ পর্যন্ত সে হেরেই যাবে মীরা এবং কিংকরের ষড়যন্ত্রের কাছে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates