মধুবনী ও পাপাইয়ের জীবনে নতুন মোড়.! জেজের ব্ল্যাকমেইলে বাধ্য হয়ে তাকে বিয়ে করলো মধুবনী.? 😱

জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলির মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় সিরিয়াল হল “তুই আমার হিরো”। সিরিয়ালটি এখনো প্রথম পাঁচে আসতে না পারলেও, শুরু হওয়ার পর থেকেই কিন্তু সে তার স্লটটি একতরফা ভাবে তার দখলে রেখেছে। 😱 সম্প্রতি এই সিরিয়ালে ঘটে গেল এমন একটি চমকপ্রদক ঘটনা, যেটি দেখে চমকে গেছে সমগ্র দর্শক মহল। 👀

আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেয়েছি শাক্যজিৎ সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে পুরোপুরি ভাবে বয়কট হওয়ার পর যখন তাদের আর্থিক অবস্থা একেবারে খারাপ হয়ে গেছে, তখনই মধুবনীর কাছে একটি নতুন সিনেমার অফার আসে। কিন্তু মধুবনী যখন জানতে পারে যে সিনেমাটির নায়ক হচ্ছে জেজে, তখন সে সিনেমাটি না করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তখন শাক্য তাকে বোঝায় পার্সোনাল এবং প্রফেশনাল এই দুটো লাইফকে কখনো এক করতে নেই.! তাই মধুবনীর উচিত অবিলম্বে এই সিনেমাটা করা। মধুবনীও সেই মতো এই সিনেমাটা করার জন্য রাজি হয়ে যায়। 👍

কিন্তু মধুবনীর এই করা সিনেমাটাই যে তার জীবনকে পুরোপুরি পাল্টে দেবে, সেটা বোধহয় সে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি। 👀 আসলে মধুবনী যখন তার সিনেমার শুটিংয়ের জন্য প্রথম দিনই সেটে যায়, তখনই তার ওপর নজর পড়ে যায় জেজের। সে সুযোগ বুঝে মধুবনীর সাথে অসভ্যতা করার চেষ্টা করে। এরপর আরশি যখন তার জন্য লাঞ্চ নিয়ে আসে, তখন আরশি তাকে কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করলে, সে তাকে সমস্তটা খুলে বলে। স্বাভাবিকভাবেই সেটা শুনেই চমকে যায় আরশি। সে তো রেগে এক্কেবারে আগুন হয়ে যায়। জেজেকে উপযুক্ত জবাব দিতে সে শুটিং ফ্লোরের সবার সামনেই তাকে টেনে একটা থাপ্পড় মারে। শুধু তাই নয় মধুবনীকে দিয়েও তাকে একটা থাপ্পড় মারায়। এরপর আরশি সবার সামনেই জেজেকে দিয়ে মধুবনীর কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করায়। 😱

স্বাভাবিকভাবেই এই অপমানটা জেজে মেনে নিতে পারেনি। জেজে ঠিক করে, সে মধুবনীর এমন একটা ক্ষতি করবে, যে মধুবনী তার কাছে সারা জীবন তার গোলাম হয়ে থাকতে বাধ্য হবে। 👀 সেই মতোই আমরা দেখতে পাই জেজে তার সেক্রেটারি সিমির সাহায্যে কিছু একটা কারসাজি করে সেটা মধুবনীর ফোনে পাঠিয়ে দেয়। মধুবনী তো সেটা দেখেই চমকে যায়, ভয় পেয়ে যায় সে। 🥺

পরদিন সকালে বাড়ি থেকে হঠাৎ করেই গায়েব হয়ে যায় মধুবনী। স্বাভাবিকভাবেই সবাই চিন্তিত হয়ে পড়ে। সবাই তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে দেয়। হঠাৎ করেই তখন সেখানে এসে হাজির হয় ঋতু.! সে তাড়াতাড়ি আরশিকে খবর চালাতে বলে। সবাই কারণ জিজ্ঞাসা করলে তখন ঋতু বলে জেজেকে নাকি বিয়ে করছে মধুবনী। 👀 স্বাভাবিকভাবেই সেটা শুনেই চমকে যাই সবাই। 😱

এদিকে প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যায় জেজে ও মধুবনীর। আর যখনই জেজে মধুবনীকে সিঁদুর পরাতে যাবে, তখনই যেখানে হাজির হয় আরশি, শাক্য, পাপাই ও ঋতু। আরশি মধু দি বলে চিৎকার করে ওঠে। 😱

So জেজে যে মধুবনীকে ব্ল্যাকমেইল করেই বিয়ে করতে বাধ্য করেছে, সেটা তো আমরা সবাই বুঝতে পারছি। কিন্তু কি সেই ব্ল্যাকমেইল, যার কারনে মধুবনী আরশিকে কিছু না জানিয়েই জেজেকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়ে গেল.? 🤔 আর কি মনে হয়, আরশি তার বিয়ের মন্ডপে পৌঁছে গেলেও, সে কি মধুবনীর বিয়েটা আটকাতে পারবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates