চিরসখায় সীমাহীন নোংরামি.! গয়না চুরি ধামাচাপা দিতে নিজের শাড়ি–ব্লাউজ ছিঁড়ে শ্বশুরকে ধর্ষক বানালো বৌমা — ক্ষোভে ফেটে পড়লো দর্শক.! 😡

স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলির মধ্যে “চিরসখা” সিরিয়ালটি ওপরের দিকেই থাকবে। ঠাকুরপো ও বৌঠানের (বন্ধুর স্ত্রী × স্বামীর বন্ধুু) পবিত্র প্রেম দিয়েই শুরু হয়েছিল সিরিয়ালটি। 👍 কিন্তু ক্রমে ক্রমে সিরিয়ালটি যতই এগিয়েছে, ততই এই পবিত্র প্রেমটি অপবিত্র প্রেমে পরিণত হয়েছে.! আর তার সাথে পৃথিবীর সমস্ত নোংরামো ধীরে ধীরে এই সিরিয়ালটাকে গ্রাস করতে শুরু করেছে.! 👀 কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, এই সমস্ত নোংরামো সত্যেও সিরিয়ালটি কিন্তু TRP তালিকাতে ক্রমাগত ভালো ফল করে গেছে। 😱

মানে এমন কিছু খারাপ জিনিস নেই, যেটা বোধহয় এই সিরিয়ালে দেখানো হয়নি.! লেখিকা লীনা গাঙ্গুলী যতটা সম্ভব খারাপ জিনিস লেখা যায়, সেই সমস্ত কিছুই লিখেছে এবং দেখিয়েছে তার এই সিরিয়ালে। সেখানে একজন ছেলের আত্মহত্যা করাই হোক, বা সেই ছেলেকে নিয়ে দুই বোনের টানাটানি হোক, বা বন্ধুর বউকে নিয়ে দুই বন্ধুর টানাটানি হোক, বা ঠাকুরপোকে নিয়ে তিন তিনটে মহিলার টানাটানি বা মা ও ছেলের অত্যন্ত জঘন্য সম্পর্ক বা বৌমার শ্বাশুড়িকে, শ্বাশুড়ির বৌমাকে জঘন্যভাবে অপমান এই কোন কিছুই বাদ যায়নি। 👀

কিন্তু এত কিছু করার পরেও লেখিকা ম্যাডামের বোধহয় শান্তি হচ্ছিল না.! তাই এবার তিনি আরো জঘন্য খেলায় মত্ত হলেন। এবার তিনি বৌমাকে দিয়ে এমন একটা কাজ করালেন, যেটাকে লিখে প্রকাশ করাটাও বোধহয় উচিত নয়.! আজকের এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম, বর্ষা নতুন কাকুর ঘর ফাঁকা পেয়েই ওনার ঘরে ঢুকে আলমারি খুলে সোনার গয়না হাতানোর চেষ্টা করে। 👍 কিন্তু এমন সময় হঠাৎ করেই সেখানে হাজির হয় নতুন কাকু। স্বাভাবিকভাবেই ওনাকে দেখে চমকে যায় বৌমা বর্ষা। 👀 কিন্তু সে যে নিজেকে বাঁচাতে এমন একটা জঘন্য কাজ করবে, বা বলা ভালো লেখিকা ম্যাডাম যে এত জঘন্য একটি চিন্তা ওনার মাথাতে আনবেন, সেটা বোধহয় অতি খারাপ লোকও তার মাথায় আনতে পারবে না.! 👍

আমরা দেখতে পাই বর্ষা নিজেকে বাঁচাতে নিজেই নিজের শাড়ি ও ব্লাউজ ছেঁড়া শুরু করে দেয়। আর বাঁচাও বাঁচাও করেছে চেঁচানো শুরু করে। স্বাভাবিকভাবেই নতুন কাকু ঘাবড়ে যান। তিনি বর্ষাকে ওইসব করতে মানা করেন। কিন্তু ততক্ষণে বর্ষা চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বাড়ির সব থেকে বয়স্কা দুই মেম্বার তার ঠাম্মি শ্বাশুড়ি ও মাসি ঠাম্মি শ্বাশুড়িকে জড়ো করে দেয়। 😱 আর স্বাভাবিকভাবেই তারা তাদের বাড়ির বৌমার এমন অবস্থা দেখে নতুন কাকুকেই দোষারোপ করতে থাকে। নতুন কাকু অনেক করে বোঝানোর চেষ্টা করে, যে আমি এটা করিনি.! আমি কখনো এইসব করতেই পারি না, কারণ বর্ষা আমার মেয়ের মতো.! কিন্তু কে শুনে কার কথা.? 👀

So এই এপিসোডটি সম্প্রচারিত হওয়ার পরই শুরু হয়েছে আবারো ট্রোলের বন্যা। লেখিকা ম্যাডামের নাম ধরে ধরে দর্শক শুরু করেছেন উনাকে ভৎর্সনা করা। 👍 কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এইসবের পরেও উনার কিন্তু কোন কিছু যায় আসবে না.! কারণ দর্শক যতই গালাগালি করুক না কেন, তারা এই সিরিয়ালটিকে টিভিতে দেখা বন্ধ করবে না.! একচুয়ালি বলা ভালো, এই সমস্ত জিনিস দেখার পরে তারা সিরিয়ালটা না দেখে থাকতে পারবেনা। কারণ তাদের মনে সব সময় এই প্রশ্নটাই আসবেই, যে নতুন কাকু কিভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে.? 🤔 ফলে তারা ওই কৌতুহল নিয়ে সিরিয়ালটা দেখে যাবে এবং সিরিয়ালটি TRP তালিকায় হিট থেকে সুপারহিট থেকে মেগা হিট হয়ে যাবে। 👍

তবে একটা জিনিস তো পরিষ্কার, অনেক দর্শক কিন্তু এবার জেগে উঠেছে.! কারণ সেটা সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাই আশা করা যায়, আগামী দিনে এই দর্শকের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে। আর তখন লেখক বা লেখিকারা বাধ্য হবে শালীনতা বজায় রেখে সিরিয়াল গুলো লেখার.! 👍 বাকি এই বিষয়ে তোমাদের কি মতামত.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates