ডিভোর্স কি সত্যিই এত সহজ.? মাত্র ২৪ ঘন্টায় পারুলের লন্ডন যাত্রা.? পরিণীতার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললো দর্শক!

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে এই মুহূর্তে ঘটে গেল এমন একটি চমকপ্রদ ঘটনা, যেটা দেখে দর্শকমহল একেবারে হতবাক হয়ে গিয়েছে। 😱

তোমরা যারা সিরিয়ালটি প্রতিদিন দেখো তারা অবশ্যই জানবে যে, রুকু বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার সময় বাধ্য হয় ডিভোর্স পেপারে সই করতে। কিন্তু সেটা গোপাল জানতো না। কিন্তু হঠাৎ করেই সে তার মায়ের কাছ থেকে সবটা জানতে পারে। ফলে সে একেবারে ভেঙে পড়ে। আর তার এই ভেঙ্গে পড়ার সুযোগেই তার মা তাকে দিয়ে ঐ ডিভোর্স পেপারে সই করিয়ে নেয়। ফলে দর্শকমহল প্রশ্ন তুলে দেয়, কিভাবে কোনো কোর্ট ট্রায়াল ছাড়াই ডিভোর্স হয়ে যায় গোপাল ও রুকুর। আর গোপাল একজন শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও কেন সামান্য নিয়মটুকুও সে জানেনা.? 🤔 তবে তার কোন উত্তর কিন্তু মেকার্সরা দর্শকদের দেয়নি। সাথে দর্শকরা এই প্রশ্নের উত্তরটা এখনো পায়নি, যে গোপালের মায়ের মতো অশিক্ষিত একজন মহিলা কিভাবে এবং কোত্থেকে ডিভোর্স পেপার তৈরি করে এনেছে.? 🤔

যাই হোক এই সমস্ত সই-সাবুত মিটে গেলেই ৩ দিনের মধ্যে গোপালের সাথে বিডিও ম্যাডামের বিয়ের ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু সেই খবরটা না চাইতেও পৌঁছে যায় পারুলসহ গোটা বসু বাড়িতে। সবাই জানতে পারে পরশুদিনই গোপালের বিয়ে হতে চলেছে.! 😱 কিন্তু পারুল বুঝতে পারে নিশ্চয়ই এর পেছনে কোন একটা গন্ডগোল রয়েছে.? 🤔 সেই কথাটা পারুল দাদুকে জানায় এবং সে ঠিক করে, সে নিজে লন্ডনে গিয়ে রুকুকে ফিরিয়ে আনবে এবং সে পুনরায় গোপালের সাথে রুকুর বিয়ে দেবে। সে কোনমতেই গোপাল ও রুকুর সম্পর্কটা ভাঙতে দেবে না.! 👍

কিন্তু এই চক্করে আরো একটা মস্ত বড় গন্ডগোল ঘটিয়ে ফেলেছে মেকার্সরা। অন্তত দর্শকমহল তো সেটাই বলছে। আসলে আমরা দেখতে পাচ্ছি হঠাৎ করেই পারুল লন্ডনে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে যায়। কিন্তু লন্ডনটা তো আর কোলকাতা থেকে চেন্নাই বা মুম্বাই যাওয়ার মতো নয়.! লন্ডনে যেতে গেলে একজন মানুষের পাসপোর্ট এবং ভিসা লাগে.! আর সেই পাসপোর্ট এবং ভিসা তৈরি করতে একটা তো মিনিমাম সময় লাগেই.! 👍 ভারতীয় নিয়ম অনুযায়ী কলকাতার মতো মহানগরেও তৎকাল পাসপোর্ট বানিয়ে এটা হাতে পেতে মিনিমাম ৪৮ ঘন্টা সময় লাগেই। আর সব থেকে হাই ক্লাস ভিসা, যেটাকে বলা হয় Super Priority Service, এটাও হাতে পেতে মিনিমাম ২৪ ঘন্টা তো লাগেই.! কলকাতা থেকে লন্ডনের দূরত্বটাও তো কম না.! কারণ সেখানে পৌঁছাতেই একটা ব্যক্তির মিনিমাম ১৬-১৯ ঘন্টা সময় লাগে। তাই কোনমতেই প্র্যাকটিক্যালি ভাবে তো একজন ব্যক্তির ২৪ ঘন্টার মধ্যে লন্ডনে গিয়ে ফিরে আসা সম্ভব না.? 🤔 তাই দর্শক মহলেও এটা নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু করে দিয়েছে.! যদিও যেহেতু এটি সিরিয়াল এবং এটি শুধুমাত্র বিনোদনের একটা অংশমাত্র.! তাই এখানে কিন্তু সমস্ত কিছুটাই সম্ভব। 👍😍

So এবার তোমরা বলো, তোমাদের কি মনে হচ্ছে পারুল কি এই এতো কম সময়ের মধ্যে লন্ডনে গিয়ে রুকুকে বুঝিয়ে-সুুঝিয়ে গোপালের বিয়ে হওয়ার আগেই ন্যাড়াগোয়ালে পৌঁছাতে পারবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋


Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates