বিডিও ম্যাডামের হ্যাংলামোতে তীব্র খুব্ধ দর্শক মহল। সবাই বলছে এই ছিল তাহলে মুখোশের আড়ালে.! 😱

জি বাংলা তথা বাংলা টেলিভিশন জগতের এই মুহূর্তের সবথেকে জনপ্রিয় সিরিয়ালটির নাম হল “পরিণীতা”। এই সিরিয়ালটি কেন এত জনপ্রিয়, সেটা বোধহয় আর খোলসা করে বলার দরকার নেই.! 👍 তবে আজকে আমরা এখানে এই বিষয়ে কথা বলবো না। আজকে আমরা কথা বলব এই সিরিয়ালে ঘটে চলা সাম্প্রতিক এপিসোড নিয়ে। যেখানে এই মুহূর্তে আমরা দেখতে পাচ্ছি গোপালের বিয়ে নিয়ে এক চরম টানটান উত্তেজনা। 😱

আজকে এখানে আমরা মূলত কথা বলব বিডিও ম্যাডাম অর্থাৎ অভিনন্দাকে নিয়ে। এই চরিত্রটিকে যখন ইন্ট্রোডিউস করা হয়েছিল এই সিরিয়ালে, তখন তার মিষ্টি আচরণ এবং কর্তব্যের দায়বদ্ধতা দেখে দর্শক মহল এই চরিত্রটিকে এক্কেবারে কিন্তু আপন করে নিয়েছিল। 👍 এরপর সে যেভাবে ধীরে ধীরে গোপালের প্রেমে পড়েছিল, সেটাকেও কিন্তু দর্শক প্রাধান্য দিয়েছিল। দর্শক কিন্তু সেটাকে মোটেও খারাপ চোখে দেখেনি। একটা সময় রুকু যখন গোপালকে লাগাতার এভয়েট করে চলেছিল, তখন দর্শকেরা তো গোপালের সাথে এই অভিনন্দার যাতে বিয়ে হয় সেটাই চেয়েছিল। 😍

আসলে দর্শক তখন বুঝতেই পারেনি, এই সহজ সরল চেহারার পেছনে আসলে লুকিয়ে রয়েছে এমন একটি লোভী এবং স্বার্থপর মানুষ। 👀 আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেয়েছি, রুকু যখন বিদেশ চলে যায়, তখন তার শাশুড়ি জোর করে তাকে দিয়ে ডিভোর্স পেপারে সই করিয়ে নেয়.! তারপরই গোপালের মায়ের কথা মত অভিনন্দা গোপালকে প্রপোজ করে। কিন্তু গোপাল তাকে অত্যন্ত ভদ্রতার সাথে মানা করে দেয়। 👍 সত্যি বলতে কি তখন দর্শকেরা অভিনন্দার এই কষ্টকে, এই রিজেকশনকে নিজেদের কষ্ট এবং রিজেকশন বলেই মনে করেছিল। কারণ আমরা দেখেছিলাম সে গোপালের রিজেকশন সুন্দরভাবে মেনে নিয়েছিল।

কিন্তু সে যে তলে তলে গোপালের মায়ের সাথে হাত মিলিয়ে এমন খেল দেখাবে, সেটা কেউ ভাবতেই পারেনি। আসলে সে গোপালের মায়ের সাথে মিলে ভেতরে ভেতরে তার সাথে গোপালের বিয়ে ঠিক করে নেয়। যেটা আবার গোপাল জানতেই পারেনা। হঠাৎ করে একদিন গোপালের মা রুকুর সই করে দেওয়া ডিভোর্স পেপারটা তার সামনে নিয়ে এসে এক প্রকার জোর করেই মাথার দিব্যি দিয়ে গোপালকে বিয়ে করতে রাজি করায়। 😱 আর যেহেতু গোপালও রুকুর দেওয়া এই আঘাত মেনে নিতে পারেনি, তাই সেও আর জোর করে তার মাকে বাধা দিতে পারে না। 😥

কিন্তু তারপরে গড়িয়েছে বহু জল। এসে উপস্থিত হয়েছে বিয়ের দিন। পারুলও সমস্তটা জানতে পেরে নিজেই লন্ডনে গিয়ে রুকুকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। রুকুও গোপালের প্রতি তার ভালোবাসার কথাটা বুঝতে পেরেছে। আর তার পরে শুরু হয়েছে আসল খেলা। যেখানে পারুল বিয়ের দিনে রুকুকে সাথে নিয়ে হাজির হয়েছে বিয়ের মন্ডপে। সেখানে অভিনন্দা আবার রুকুর ফিরে আসার কথা জানতে পেরে বিয়ের লগ্ন এগিয়ে এনেছে। শুধু তাই নয় গোপাল তাকে বিয়ের মন্ডপেও এই বিয়েটা না করার জন্য অনুরোধ করেছে.! কিন্তু অভিনন্দা তার সমস্ত লাজ-লজ্জা এবং পজিশন বিসর্জন দিয়ে গোপালকেই বিয়ে করতে চেয়েছে। 👀

স্বাভাবিকভাবেই সিঁদুর দানের ঠিক মুহূর্তে সেখানে এসে উপস্থিত হয় রুকু। গোপাল তাকে দেখতে পেয়ে বিয়ের মন্ডপ ছেড়ে উঠে চলে আসে। এরপর তাদের দুজনের মধ্যে চলে মান-অভিমানের পালা। কিন্তু সেখানেই তাদের দুজনের মাঝে আবার একবার ঢুকে পড়ে অভিনন্দা। আর সবাইকে চমকে দিয়ে সে বলে, রুকু নাকি তার ও গোপালের জীবনে তৃতীয় ব্যক্তি। অথচ সেই মহিলাই তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে গোপাল ও রুক্মিণীর জীবনে ঢুকে পড়েছে। 😜 শুধু তাই নয়, সে রুকুর সই করা সেই ডিভোর্স পেপারটাকেই হাতিয়ার করেছে। আর নিজের জোরে রুকুকে তার বাড়ি থেকে হাত ধরে বের করে দিয়েছে। কারণ সে কিছুতেই গোপালকে হাতছাড়া করবে না, সে গোপালকেই বিয়ে করবে। 😱

স্বাভাবিকভাবেই অভিনন্দার এই আচরণে তীব্র ক্ষুব্ধ হয়েছে দর্শক মহল। যেই দর্শকেরা এতদিন তাকে সাপোর্ট করে এসেছিল, তার দুঃখের অংশীদার হয়েছিল, তারাই এখন ছিঃ ছিঃ করছে। কারণ এটা তো আমরা সবাই জানি, কাউকে কখনো জোর করে পাওয়া যায় না। আর সত্যি বলতে কি, অভিনন্দা যদি এখানে বেঈমানী না করতো, গোপালকে জোর করে পাওয়ার চেষ্টা না করতো, তাহলে সে কিন্তু দর্শকের এই ভালোবাসাটা কখনোই হারাতো না। 👍

So এখন শেষ পর্যন্ত কি হতে চলেছে, সেটা কিন্তু এখনো সাসপেন্স হয়েই রয়েছে। দর্শকেরা কেউ কিন্তু এখনো বুঝতে পারছে না, বিয়েটা শেষ পর্যন্ত কার সাথে হবে.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, শেষ পর্যন্ত কার সাথে হবে গোপালের বিয়েটা.? রুক্মিণী নাকি অভিনন্দা.? 🤔 নাকি এমন কিছু ঘটবে, যার ফলে নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে গোপাল ও রুকুর বিয়ে দেবে বিডিও ম্যাডাম.? 🤔 অবশ্যই কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে জানিও..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates