মায়ের সম্পর্কে জানতে গিয়ে জঙ্গি সন্দেহে পুলিশের জালে পারুল। রায়ানের প্রতীজ্ঞা, সে পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করবেই। 😱

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে আবারও ঘটে গেল এমন একটি ঘটনা, যেটাও অতি বড় দর্শকও কল্পনা করতে পারেনি.! 😱

সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম, পারুল যখন রায়ানের সাথে ইউনিভার্সিটি থেকে বাড়ি ফিরছিল, তখন সে লক্ষ্য করে একটা সাউথ ইন্ডিয়ান লোক তাকে ফলো করছে। সে সেই লোকটিকে দেখতে পেয়ে তাকে ধরার চেষ্টা করে, কিন্তু সেই লোকটি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। 👍

এরপর পারুল যখন রাত জেগে তার পরীক্ষার জন্য পড়াশোনা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিল, ঠিক তখনই সেই লোকটি আর একজনের সাথে করে রাতের বেলায় বাড়িতে ঢুকে পারুলের টেবিলে একটা চিরকুট রেখে দিয়ে পালিয়ে যায়। 👀 এরপর পারুলের যখন হঠাৎ করে ঘুম ভেঙ্গে যায়, সেটা সে দেখতে পায়। পারুল দেখে যে ওই চিঠিতে যে ভাষায় লেখা আছে, সেটা হচ্ছে কন্নড় ভাষা। ফলে পারুল যখন সেটাকে ট্রান্সলেট করে, তখন সে পরে বুঝতে পারে সেখানে লেখা রয়েছে, যারা এই চিঠিটা পাঠিয়েছে তারা নাকি পারুলের মায়ের সম্বন্ধে এবং কারা চায় না পারুল তার মায়ের সাথে মিলিত হোক, তার সমস্তটাই জানে। তাই তারা আজকে রাত তিনটের সময়ই পারুলকে একটা জায়গায় ডেকে পাঠায়। 😱

ফলে পারুল ঠিক করে, সে দেখা করতে যাবে। সেই কারণে সে রায়ানকে ডাকতে গেলে রায়ানের মা পারুলকে তার সাথে দেখা করতেই দেয় না।। এমনকি রায়ানকে জাতে পারুল ফোন করতে না পারে, সেইজন্যে রায়ানের মা রায়ানের ফোনটাও নিয়ে নেয়। 👀 ফলে বাধ্য হয়ে পারুল একাই চলে যায় সেখানে। কিন্তু সেখানে গিয়ে সে আবিষ্কার করে, যে ওই লোকগুলোর কাছে বন্দুক রয়েছে। সে তার মায়ের ব্যাপারে কিছু কথা বলতে যাবে, তার আগেই সেখানে এসে হাজির হয় পুলিশ। ফলে ওই লোকগুলোর সাথে সাথে পুলিশ পারুলকেও গ্রেফতার করে। 🥺

কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, এইসবের ব্যাপারে বসুবাড়ির কেউ কিছু জানতোই না। তারা বিষয়টা জানতে পারে সকালে খবরের কাগজ দেখে। কারণ খবরের কাগজে ওই লোকগুলোর সাথে পারুলেরও গ্রেপ্তার হওয়ার খবর বেরিয়েছে একেবারে ছবি সহ। যেখানে লেখা রয়েছে পারুল নাকি একজন জঙ্গি। 👀 স্বাভাবিকভাবেই এই খবর দেখে চমকে যায় বসু বাড়ির সবাই।

রায়ান তো এই জিনিসটা কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। এরপর সে যখন তার ফোনে মেসেজ দেখে, তখন বুঝতে পারে গত রাতে পারুল তাকে মেসেজ করেছিল। 👍 এদিকে পারুলকে পুলিশে ধরে নিয়ে গিয়েছে শুনে খুব খুশি হয় মৌসুমী বসু। সে সুযোগ পেয়েই পারুলকে নিয়ে উল্টোপাল্টা বলতে থাকে। কিন্তু রায়ান আবারও একবার তার মাকে আচ্ছা করে ঝাড় দিয়ে দেয়। রায়ান বলে আজকে পারুলের এই অবস্থা শুধুমাত্র তোমার জন্য হয়েছে। সে এটাও বলে, সে যেই করেই হোক পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করে ছাড়িয়ে আনবেই আনবে। 😱

এরপর রায়ান আর সময় নষ্ট না করে পারুলের সাথে থানায় দেখা করতে যায়। সে পারুলকে আশ্বাস দিয়ে বলে, সে যেই করেই হোক তাকে এখান থেকে বের করবে। শুধু তাই নয়, কে বা কারা তাকে এইভাবে ফাঁসিয়েছে, সেটাও সে খুঁজে বের করবে। 👍 এরপর রায়ান পারুলকে তার পড়ার বইগুলো তার হাতে তুলে দিয়ে বলে, তুই এখান থেকে বসেই পড়াশোনা কর। আমি চাইনা কোনভাবে তোর লেখাপড়া নষ্ট হোক। 😱

So পরীক্ষার ঠিক আগের মুহূর্তেই পারুল তো এভাবে ফেঁসে গেছে.! কি মনে হয়, রায়ান কি পারবে তাকে পরীক্ষার আগে জেল থেকে বের করতে.? 🤔 আর কি মনে হয়, যতই পারুল জেলে বসে পড়াশোনা করুক, কিন্তু সে কি আদৌ পারবে ভালো রেজাল্ট করতে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates