মৃত নয় পারুলের মা.! 😱 বাবা ভুবনেশ্বরের ইশারায় খুলে গেল পরিণীতার সবচেয়ে বড় রহস্য.! 🔥

জি বাংলার সবথেকে জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে যে হঠাৎ করে ঘটে যাবে এত বড় একটা অঘটন, সেটা বোধহয় অতি বড় দর্শকও কল্পনা করতে পারেনি। 👀 সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম, যে পারুলের মা চিঠি লিখে পারুলকে একটা জায়গায় আসতে বলে। 👍 স্বাভাবিকভাবেই যেটা দেখে খুব খুশি হয় পারুল। কিন্তু এই অতিরিক্ত খুশই হয়ে ওঠে তার জন্য সব থেকে বড় দুঃখের কারণ। 😱

আসলে পারুল ভাবতেই পারেনি, যে যেখানে সে ও তার মা দেখা করতে চলেছে, সেখানে ইতিমধ্যেই পুলিশ তার মায়ের জন্য অপেক্ষা করছে। 😱 স্বাভাবিকভাবেই পারুল যখন তার মায়ের সাথে দেখা করার জন্য যায় তখনই পুলিশ গ্রেপ্তার করে নেয় পারুলের মাকে। 👀 আর বেচারি পারুলের ভাগ্য এতটাই খারাপ যে, সে তার মায়ের সাথে কথা বলা তো দূর, তার মায়ের মুখটাও দেখতে পায় না। 🥺

তবে চমকের কিন্তু এখানেই শেষ ছিল না, এর থেকেও বড় চমক আমাদের জন্য অপেক্ষা করেছিল। আসলে কিছুক্ষণ পরেই আমরা দেখতে পাই পারুলের মা গায়েত্রীর গ্রেপ্তারির পেছনে আসল মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে স্বয়ং শিরিনের মা। 😱 যে হোটেলের সার্ভিস বয়কে কাজে লাগিয়ে পারুলের মোবাইলে একটা ছোট চিপ লাগিয়ে দেয়। ফলে পারুল যখন তার মায়ের সাথে দেখা হওয়ার খুশিতে গদগদ হয়ে বাড়ির সবাইকে ফোন করে কথাটা জানায়, তখনই শিরিনের মা সবটা জানতে পেরে যায়। 👀 আর তার পরেই শিরিনের মা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তার সাথে দেখা করে পারুলের মাকে ধরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে এনকাউন্টার করার ডিল করে। 😱 আর এর পরেই আমরা দেখতে পাই পুলিশ একটা শুনশান জায়গা দেখে পারুলের মাকে নামিয়ে তার এনকাউন্টার করে দেয়। 🥺 আর তারপরে সেই খবরটা যখন পরদিন খবরের কাগজে পারুল দেখে, স্বাভাবিকভাবেই সে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। 💔

তবে এখানে রয়েছে আরও একটা চমক। অ্যাকচুয়ালি পুলিশ সেদিন পারুলের মায়ের এনকাউন্টার করেই নি। কিন্তু যেহেতু পারল সেটা জানে না, তাই সে ঠিক করেছে তার মায়ের বডি ক্লেম করে তার মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করবে। 👍 কিন্তু যেহেতু পারুলের মায়ের এনকাউন্টার হয়ই নি, তাই পুলিশ পারুলকে তার মায়ের বডি দিতে মানা করে দেয়। কিন্তু পারুল তো ছাড়াবার পাত্রী নয়। সে সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ করে সমস্ত কিছুটা জানিয়ে দেয়। ফলে পুলিশ বাধ্য হয় পারুলকে তার মায়ের বডি হ্যান্ডওভার করতে। 👍

তবে এখানে রয়েছে আরো একটা চমক। যেহেতু পারুলের মায়ের এনকাউন্টার হয়নি, তাই পুলিশ অন্য একটা মহিলার দেহ তার মুখটাকে নষ্ট করে পারুলকে হ্যান্ডওভার করে দেয়। আর বেচারি পারুল কিছু না জেনেই তার মাকে নিয়ে যায় দাহ করতে। কিন্তু সেখানে বাবা ভুবনেশ্বর তাকে পথ দেখায়। সে তার মা ভেবে যাকে দাহ করেছিল, যখনই তার চিতায় আগুন দিতে যায়, তখনই আগুন নিভে যায়। তখন সেখানে উপস্থিত পুরোহিত পারুলকে বলে, এটা তোমার মা হতেই পারে না। পারুলও তখন বিষয়টাকে ভালোভাবে চিন্তা করে সবটা বুঝতে পারে। সে তখন বলে যেহেতু তারা বাবা ভুবনেশ্বর তাকে একটা পথ দেখিয়েছে, তাই সে এর শেষ দেখেই ছাড়বে। সে যেই করেই হোক তার মাকে খুঁজে বের করবেই করবে। 😱

So বুঝতেই তো পারছো, কিভাবে একের পর এক চমক ঘটেই চলেছে এই সিরিয়ালটিতে। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, পারুল কি করে এবং কোত্থেকে তার মাকে খুঁজে বের করবে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates