শাক্যর DNA রিপোর্ট সামনে আসতেই ভয় পেয়ে গেল জেজে ও তার মা.! সত্য গোপন রাখতে শাক্যর কাকিমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করল তারা.! 😱 আরশি কি পারবে, আসল সত্যটা খুঁজে বের করতে.?

জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলির মধ্যে “তুই আমার হিরো” সিরিয়ালটি উপরের দিকেই থাকবে। সম্প্রতি এই সিরিয়ালে সামনে এলো এমন একটি ঘটনা, যেটি নাড়িয়ে দিল নায়ক শাক্যজিতের প্রতিপক্ষ জেজে এবং তার মা দামিনীকে.! 😱

আসলে কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম যে, আরশি যখন বজরংবলির কাছে করা তার মানদ রক্ষার্থে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় তখনই জেজে ও তার মা মিলে আরশিকে গুলি করে মারার চেষ্টা করে। কিন্তু শেষমেশ তারা সফল হতে পারেনি.! 👍 এরপর আরশি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলে তার শ্বাশুড়িও তাকে বৌমা হিসেবে মেনে নেয় এবং শাক্যও আরশিকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে তাকে কাছে টেনে নেয়.! কিন্তু এটা আবার মেনে নিতে পারে না শাক্যর কাকিমা.! 👀

সে তখন ঠিক করে, সে শাক্যর ছোটবেলায় বদলে যাওয়ার ঘটনাটা শাক্যর সৎ মা অর্থাৎ জেজের মা দামিনীকে জানাবে.! 👍 সেই মতোই শাক্যর কাকিমা চুপচাপ হাজির হয়ে যায় দামিনীর কাছে.! তারপর তাকে সে জানায়, যে শাক্যই হচ্ছে এই বাড়ির আসল ছেলে.! ছোটবেলায় সে-ই ভুল করে শাক্যকে পাল্টে ফেলেছিল। এরপর সে শাক্যর চিরুনি দামিনীকে দিয়ে তার স্বামীর DNA-র সাথে ম্যাচ করাতে বলে.! দামিনীও তার কথা মতো DNA টেস্ট করালে জানতে পারে, যে শাক্যর কাকিমা সত্যি কথাই বলেছে। শাক্যই হচ্ছে এই পরিবারের আসল উত্তরাধিকারী। 😱

স্বাভাবিকভাবেই এটা জানার পরই ভয় পেয়ে যায় জেজে। সে তার মাকে বলে তার মা যেন শাক্যর কাকিমাকে আগে জিজ্ঞাসা করে যে এই কথাটা আর কে কে জানে.? যদি আর কেউ না জানে তাহলে যেন সে শাক্যর কাকিমাকে মেরে ফেলে। 👀

সেই মতোই দামিনী তার বাড়িতে ডেকে পাঠায় শাক্যর কাকিমাকে.! তারপর সে যখন জানতে পারে এই ঘটনাটা আর কেউ জানে না তখনই সে শাক্যর কাকিমাকে মারার প্ল্যান করে ফেলে। এদিকে শাক্যর কাকিমা তার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশনের মূল্য হিসেবে জেজের মায়ের কাছ থেকে ২৫০০০/- টাকা নেয়। 👀

কিন্তু এইসবের মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হচ্ছে, আরশি তার কাকিমাকে জেজের বাড়িতে যেতে দেখে নেয়। 😱 শাক্যকে আরশি সেই বিষয়টা খুলেও বলে। ঠিক সেইসময়ই শাক্য জানতে পারে যে তার কাকিমার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। 👀

এদিকে প্রিক্যাপে আবার দেখতে পাচ্ছি, যে আরশি ও শাক্য হাজির হয়েছে দামিনীর বাড়িতে। আরশি দামিনীকে জানাচ্ছে, যে তার কাকিমার অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। আর তার কাকিমা যে এখানে এসেছিল সে সেটা জানে.! স্বাভাবিকভাবেই এটা শুনেই ভয় পেয়ে যায় দামিনী। 😱

So এখন শুধু এটাই দেখার, দামিনী শাক্যজিতের আসল জন্ম পরিচয় রহস্যটা ঠিক কতদিন চাপা দিয়ে রাখতে পারে.? 🤔 আর কাকিমনিই বা সুস্থ হয়ে ওঠে নাকি শেষ পর্যন্ত মারা যায়.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates