স্বীকারোক্তি আছে, তবু শাস্তি নেই! সংযুক্তার অপরাধ চাপা দিয়ে গল্প ঘুরিয়ে পারুল–টগর ঝগড়ায় মন দিল রাইটার—স্বাভাবিকভাবেই তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়লো দর্শক মহল 😱

‎জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলোর কথা উঠলে “পরিণীতা” সিরিয়ালটির নাম সবার প্রথমেই আসবে। কিন্তু তাসত্ত্বেও এই সিরিয়ালটিই এই মুহূর্তে দর্শকের তীব্র রোষের মুখে পড়েছে। আসলে এই সিরিয়ালটি আর পাঁচটি অন্যান্য সিরিয়ালের থেকে আলাদা ভাবে শুরু হলেও, ধীরে ধীরে এখন কেমন যেন বাকি আর পাঁচটা সিরিয়ালের মতোই হয়ে যাচ্ছে.! বাকি আর পাঁচটা সিরিয়ালে যেমন ঘুঘু বারবার ধান খেয়ে চলে যাচ্ছে, অথচ হাতের সামনে পেয়েও বাড়ির মালিক ঘুঘুকে ধরতে পারছে না.! এখন ঠিক সেই একই জিনিসটাই কিন্তু এই সিরিয়ালের ক্ষেত্রেও হচ্ছে.! 👀

‎কিছুদিন আগের একটা আর্টিকেলে আমরা এই একটা পয়েন্টকে নিয়ে হাইলাইট করেছিলাম.! যখন সংযুক্তার মুখ দিয়ে সমস্ত সত্যিটা স্বীকার করাতে পারুল তার চায়ে বিষ মিশিয়ে স্বীকারোক্তি আদায় করেছিল, তখনই আমরা কথাটা বলেছিলাম.! আমরা বলেছিলাম যে এমনটা নয় তো, আগেরবারের মতোই এবারেও শুধুমাত্র স্বীকারোক্তি আদায়টাই হবে.! কিন্তু কাজের কাজ আসলে কিছুই হবে না.! 🤔 আর কোথাও যেন আমাদের সেই কথাগুলোই সত্যি হয়ে উঠলো গতকালের এপিসোডে.! 👀

‎পারুল সংযুক্তার বিরুদ্ধে সমস্ত প্রমাণ জোগাড় করল ঠিকই। কিন্তু ইন্টারেস্টিং ভাবে পারুলের মোবাইল থেকে সেই সমস্ত কিছু গায়েব হয়ে গেল। আর আমরা পরে জানলাম পারুলের মোবাইল থেকে সেই সমস্ত কিছু গায়েব কটেছে তার বোন টগর। 😱 সুতরাং প্রমাণের অভাবে এবারেও আরামসে নাচতে নাচতে বেঁচে গেল সংযুক্তা এবং শিরিন। 👀 স্বাভাবিকভাবেই এটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না দর্শকমহল। তারা ইতিমধ্যে এই নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করে দিয়েছে.! তাদের একটাই প্রশ্ন, কি করে একজন মানুষ অতি সহজে অন্য কারো মোবাইল থেকে কোন কিছু ডিলিট করে দিতে পারে.? 🤔 আর এইভাবে একটা ভিলেনকেই বা আর কতদিন বাঁচাবে রাইটার.? 🤔 আর যদি তাকে বাঁচাতেই হবে, তাহলে এইভাবে ফলাও করে প্রোমো দিয়ে দর্শককে বোকা বানানোর দরকারটাই বাকি ছিল.? 🤔

‎তবে দর্শকের প্রশ্নের কিন্তু এখানেই শেষ নয়.! আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ তুলে দিয়েছে দর্শকেরা। আসলে আমরা এই সিরিয়ালে একটা জিনিস বারবার দেখে এসেছি.! কোন একটা টপিকে হাত দিয়ে রাইটার সেটাকে সম্পূর্ণ না করেই ঝুলিয়ে রেখে অন্য একটা টপিকে চলে যায়.! ঠিক যেমন এর আগে পারুলের মায়ের পরিচয় সামনে আনার ক্ষেত্রেও সেটাকে মাঝ পথেই ছেড়ে দেওয়া হলো.! ঠিক তেমনি এখন এত অপরাধের পর সংযুক্তাকে শাস্তি দেওয়ার বিষয়টাকে ঝুলিয়ে দিয়ে টগর এবং পারুলের ঝগড়া-দ্বন্দ্বকে হাইলাইট করা হলো। 👀 আমরা দেখতে পাচ্ছি টগর এবার পারুলের বিরুদ্ধে বধূ নির্যাতনের কেস করেছে।

‎সুতরাং পুলিশ এসে হাজির হয়েছে পারুলকে গ্রেফতার করতে। আর পারুলের এই নতুন করে আবার গ্রেফতারি দেখে দর্শকমহল ক্ষুব্দ হয়ে আবারো একটা প্রশ্ন তোলা শুরু করে দিয়েছে.! দর্শকেরা প্রশ্ন তুলছে, পারুলকে আর কতবার থানায় যেতে হবে.? মানে পান থেকে চুন খসতে না খসতেই পারুলকে থানায় ঢুকে দেওয়া হচ্ছে কেন.? কেউ কেউ তো আবার এও দাবি করছে, যে এইভাবে পারুলকে বারবার থানায় না নিয়ে গিয়ে পাকাপাকিভাবে পারুলের জন্য থানায় একটা ঘরের ব্যবস্থা করা হোক.! 😜

‎তাছাড়া এই সপ্তাহের TRP তালিকায় “পরিণীতা”-র ভরাডুবি যেন আরো বেশি করে আগুনে ঘি ঢালার কাজ করে দিয়েছে। এই সিরিয়ালটি যেখানে গত দু সপ্তাহ বেঙ্গল টপার ছিল, সেখানে এই সপ্তাহে চতুর্থ স্থানে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। 😱

‎So বুঝতেই তো পারছো, ঠিক কি কারণে দর্শকেরা এই মুহূর্তে ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছে সিরিয়ালটির উপর.! কিন্তু একজন সিরিয়াল প্রেমী হিসেবে আমরা এটাই আশা করব এই সিরিয়ালটির রাইটিং টিম দর্শকদের কথাগুলো ভেবে দেখবে এবং তারা তাদের ভুলগুলো শুধরে নেবে.! 👍 বাকি এই বিষয়ে তোমাদের কি মতামত.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates