জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালটি এই মুহূর্তে এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেখানে পুলস্ত্য এই মুহূর্তে পাগল হয়ে রয়েছে যেনতেন প্রকারেণ দিতিকে শেষ করার জন্য.! 👀 তাই সে যখন গোরাকে মারতে ব্যর্থ হল, তখন এক নতুন অস্ত্রের কথা সে বলেছিল.! 👍 অবশেষে গতকালের এপিসোডে আমরা জানতে পারলাম কে তার সেই নতুন অস্ত্র.! 😱
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আসলে গতকালই এই সিরিয়ালের একটি নতুন প্রোমো ড্রপ করা হয়েছিল.! সেই প্রমো দেখে আমরা ভেবেছিলাম, যে সাধুবাবা সেজে পুলস্ত্যের ছাইয়ের মধ্যে বিষ মাখিয়ে দিতিকে মাখনোটাই বোধহয় তার নতুন অস্ত্র.! কিন্তু সেই ভুলটা ভাঙলো আমাদের গতকালের এপিসোডে.! পুলস্ত্যের নতুন অস্ত্র কোন ছাই ভষ্মও নয়, আর সাধুবাবার রূপও নয়.! তার নতুন অস্ত্র হচ্ছে রূপের নিজের বোন কুন্তল.! 👀
আসলে দিতি যে রূপ নয়, সেটা পুলস্ত্যের মতো কুন্তলও বুঝে গিয়েছিল.! তাছাড়া কুন্তল প্রথম থেকেই তার জামাইবাবু গোরাকে মনে মনে ভালোবাসে.! সুতরাং তার দিদি রূপ মারা যাওয়ার ফলে সে মনে করেছিল এবার তার রাস্তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। তাই সে এখন গোরার মন জয় করে তার স্ত্রী হতে পারবে.! 👍 কিন্তু গোরা দিতিকে তার স্ত্রী রূপ সাজিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসায় তার সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যায়.! 😜 আর এরপরই সে যখন জানতে পারে, যে এটা তার দিদি নয়.! এটি সম্পূর্ণ একজন অন্য একজন মেয়ে, যার নাম হচ্ছে দিতি.! তখনই সে দিতিকে তাড়াতে উঠে পড়ে লাগে.! 👍
স্বাভাবিকভাবেই সেই জিনিসটা চোখ এড়ায় না পুলস্ত্যের। তাই তার কাছে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় অস্ত্র হচ্ছে ঐ কুন্তলই.! সেই কারণেই আমরা দেখতে পাই, পুলস্ত হাজির হয়ে যায় কুন্তলের সাথে দেখা করতে। আর তার সাথে মিলে সে একটা প্ল্যান করে। সে কুন্তলকে দিতি ও গোরার প্রত্যেকটা মুহূর্তের খবর তাকে দিতে বলে.! 😱
So এবার তাহলে দেখাই যাক এই কুন্তলের সাথে মিলে পুলস্ত্য নতুন কি খেল দেখায়.? 🤔 আর গোরাই বা কবে বুঝতে পারে, যে এই কুন্তলই হচ্ছে তাদের ঘর শত্রু বিভীষণ.? 🤔




