মায়ের খোঁজ মাঝপথে থামিয়ে বাড়ি ফেরায় দ্বিধাভক্ত দর্শক মহল.! কেউ বলছে পারুল এটা মোটেও ঠিক করল না.! আবার কেউ বলছে পারুল ঠিকই করেছে.!

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে আমরা দেখেছিলাম, যে ১৯ পারুলের মায়ের এনকাউন্টার করে। কিছু পরবর্তীতে আমরা জানতে পেরেছিলাম, ওটা আসলে ফেক অ্যান কাউন্টার ছিল।পুলিশ অবশ্য সেটা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। ফলে পুলিশ যখন পারুলকে অন্য এক মহিলার দেহ হ্যান্ডন্ডওভার করে.! তখন স্বাভাবিকভাবেই সে তার মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন করার জন্য শ্মশানে নিয়ে যায়। কিন্তু পারুল ৩-৩ বার তার মায়ের মুখাগ্নি করার চেষ্টা করলেও, প্রত্যেকবারই সেই আগুন নিভে যায়। আর তারপর সেখানকার লোকাল লোক তাকে জানায়, যে নিশ্চয়ই এই দেহটা পারুলের নিজের মায়ের না, সেই জন্যই এই আগুনটা নিভে যাচ্ছে। কারণ এখানকার রীতি হল, যেটা বহু যুগ যুগ ধরে চলে আসছে, নিজের রক্তের সম্পর্কের ছাড়া অন্য কেউ (অবশ্যই শ্মশানে যারা কাজ করে তারা ছাড়া) মুখাগ্নি করতে পারে না। 😱

ফলে পারুল বুঝে যায় যে তার মা বেঁচে রয়েছে। কারণ তার বাবা ভুবনেশ্বর স্বয়ং এই ইঙ্গিত দিয়েছে। 😱 কিন্তু পারুল রায়ানকে ছাড়া সেটা কাউকে বুঝতে দেয়না। 👍

ওদিকে ডিন স্যার আবার তাদেরকে ফোন করে, কারন তাদের ফাইনাল এক্সাম সামনেই চলে এসেছে। কিন্তু পারুল ফিরে যাবে না বলেও পরে সে বুঝতে পারে, যে এখন যদি সে তার মায়ের আবারো খোঁজ করা শুরু করে, তাহলে আখেরে কিন্তু ক্ষতি তার মায়েরই হবে। 👍 কারণ যে বা যারা চায় না সে তার মাকে খুঁজে পাক, তারা আবার তার মায়ের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। ফলে আর বিলম্ব না করে পারুল এবং রায়ান ফিরে যায় কলকাতায়। 🥰

কিন্তু বাড়িতে ফিরতে না ফিরতেই টগর, কাকি এবং শাশুড়ি অর্থাৎ মৌসুমী বসু পারুলকে ডাকাতের মেয়ে বলে অপমান করতে শুরু করে। কিন্তু পারুল তো আর গুরুজনদের গায়ে হাত তুলতে পারবে না.! তাই সে টগরের ওপরেই তার রাগটা ঝেড়ে দেয়। যদিও টগরের সেটা প্রাপ্য ছিল। পারুল তো বলেই ছিল তাকে প্রতিদিন সকাল এবং বিকালে দু-দাগ ওষুধ দিতে হবে। 👀 তাই এতদিন সেই ওষুধ না পড়লেও, বাড়ি ফিরেই কিন্তু পারুল সেই ডোজটা কমপ্লিট করে দেয়। 😜

ওদিকে দাদু পারুলকে তার মায়ের নাম উজ্জ্বল করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে পরীক্ষায় প্রথম যাতে হয় সেই আশীর্বাদ করে। কিন্তু তার ফলে আবার রেগে যায় রায়ান। সে আবার চ্যালেঞ্জ করে বসে, কেউ যেন তাকে ভুলে না যায়। কারণ সে কিন্তু আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে আর সেই পরীক্ষায় প্রথম হবে। 😱

So একদিক দিয়ে বিচার করলে কিন্তু এই জিনিসটা খুবই ভালো হলো। কারণ একই জিনিস অনেকদিন ধরে চলার ফলে দর্শক ইতিমধ্যেই একটা একঘেয়েমীর মধ্যে চলে এসেছিল। ফলে আবার যখন সেই ইউনিভার্সিটি, এক্সাম এবং বসু বাড়ির ভেতরের জিনিসগুলো আমরা দেখব, তখন অন্তত একটু ফ্রেশ মনে হবে। 👍 কিন্তু এবার যদি উল্টো দিক দিয়ে দেখা যায়, তাহলে এই বিষয়টা কিন্তু সত্যিই কেমন যেন দিল্লির সেই কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর মত হয়ে গেল। ঢাকঢোল যেইভাবে পেটানো হয়েছিল, তার কিছুই কিন্তু হলো না.! শুধু ওই দু-চার ফোঁটা বৃষ্টিই পড়লো.! 😜

কিন্তু এর ফলেই আবার দ্বিধাভক্ত হয়ে পড়েছে দর্শক মহল। কেউ সোশ্যাল মিডিয়াতে উগরে দিয়েছে তাদের তীব্র হতাশা.! কেউ আবার পুনরায় বসু বাড়ির সবাইকে, পারুলের লেখাপড়া এবং রায়ানের সাথে তার সেই প্রতিযোগিতা, এগুলো ফিরে পেয়ে হয়েছে বেজায় খুশি.! 👍

So এবার তোমরা বলো, এই দুই দলের মধ্যে তোমরা কোন দলে রয়েছো.? 🤔 আর পারুলের মায়ের এই খোঁজটাকে মাঝখানে থামিয়ে আবার যে গল্পটাকে সেই বসু বাড়ি এবং ইউনিভার্সিটিতে ফিরিয়ে আনা হলো.! সেটাকেই বা তোমরা কিভাবে দেখছো.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋


Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates