রায়ানের দারুণ প্ল্যানেই উল্টে গেলো খেলার মোড়.! গ্রেফতার হলো শিরিন ও তার মা।😱 কিন্তু সে কি কখনো আসল সত্যিটা জানতে পারবে.? 🤔

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে গতকালের এপিসোডে হঠাৎ করেই ঘুরে গেল খেলার মোড়। আর যেটা দেখে ব্যাপক খুশি সমগ্র দর্শক মহল। 🥰

আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখেছিলাম, যে পারুলকে মিথ্যে কেসে ফাঁসিয়ে দেয় শিরিন ও তার মা। আর তারা এমন ভাবে ফাঁসায়, যেখান থেকে পারুলের বেরোনোর কোন উপায়ই ছিল না। কেননা সমস্ত প্রমাণ ছিল পারুলের বিরুদ্ধে। 😱 সেই সময় পারুলকে বাঁচানোর একটা শেষ চেষ্টা করে রায়ান। সে রুকু, গোপাল, মল্লারদের নিয়ে পারুলকে যেই ভ্যানে করে আদালতে তোলা হবে, সেই ভ্যানটিকে হাইজ্যাক করে নেয়। 😱

তারপর সে ওই চারজন জঙ্গীদের মুখ থেকে সমস্ত কথা বের করে নেয়। সমস্ত সত্যিটা যখন সামনে বেরিয়ে আসে তখন জানা যায়, যে ওই চারজন জঙ্গির মধ্যে দুজন আসলে লোকাল। ওই লোকালের একজন আবার থিয়েটার আর্টিস্ট। কিন্তু বাকি দুজন সত্যিকারেরই কর্নাটকের বাসিন্দা। আর যারা সত্যিই জঙ্গি। 😱 এরপর তারা যখন জানায়, যে তাদেরকে শুধুমাত্র ভাড়া করা হয়েছিল পারুলকে ফাঁসানোর জন্য। স্বাভাবিকভাবেই তখন সবাই চমকে যায়। কিন্তু চমকের যে এখনো বাকি ছিল, তারা বোধহয় সেটা কেউ বুঝতেই পারেনি.! এরপর তারা জানায় এই কাজটা তাদেরকে করতে বলেছে শিরিন ও তার মা। 👀 তারাই চেয়েছিল পারুলকে যেন এমন ভাবে ফাঁসানো হয়, যাতে পারুলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। আর তারপরেই তাদেরকে ভালো উকিল দিয়ে শিরিনের মা ছাড়িয়ে নেবে। 😱 সেই সময় সেখানে এসে উপস্থিত হয়ে পুলিশও। সমস্ত বিষয়টা ভালো করে জানার পর পুলিশ পারুলকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আর তারপর তারা সিদ্ধান্ত নেয়, যে তারা গ্রেফতার করবে শিরিন ও তার মাকে। 👍

ওদিকে পারুলকে আদালতে তোলা হচ্ছে বলে খুব খুশিতে থাকে শিরিন ও তার মা। কিন্তু তাদের এই খুশি যে হঠাৎ করেই দুঃখে বদলে যাবে, সেটা বোধহয় তারা দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি। 👀 একটু পরে সেখানে পারুলের সাথে এসে হাজির হয় পুলিশ। স্বাভাবিকভাবেই পারুল এবং পুলিশকে দেখেই চমকে যায় শিরিন ও তার মা.! উল্টোদিকে চমকে যায় শিরিনের বাবাও। 😱

এরপর পুলিশ জানায় পারুলকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে এবং জঙ্গিদের সাহায্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করা হচ্ছে শিঞ্জিনী রয় এবং শিরিন রয়কে। 👀 শিরিনের বাবা সৌমিত্র বাবু তো চমকে যায়। এরপর পারুল যখন ওনাকে সমস্তটা খুলে বলে, তখন উনি কোন দয়া-মায়া না দেখিয়ে মা এবং মেয়ে দুজনকেই পুলিশের হাতে তুলে দেন। 😱

কিন্তু পারুল এবং সৌমিত্র বাবু যখন তাদেরকে এই সব কিছু করার কারণ জিজ্ঞাসা করে, তখন তারা মা ও মেয়ে সমস্ত সত্যিটা চেপে যায়। পরিবর্তে তারা জানায়, যেহেতু পারুল শিরিনের থেকে সব দিক দিয়ে ভালো এবং তাকে প্রতিমুহূর্তে পরাস্ত করছে, তাই তারা তাদের পথের কাঁটাকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল। আর এইসব করার জন্য তাদেরকে সাহায্য করেছিল রায়ানের মা। 😱

So পারুলকে ফাঁসানোর জন্য শিরিন এবং তার মা গ্রেপ্তার হলো বটে.! তবে তারা কিন্তু কায়দা করে আসল সত্যিটাকে চেপে গেল। 👀 তো কি মনে হচ্ছে, পারুল কি কোনদিনও বুঝতে পারবে, যে শিরিন ও তার মা আসলে ঠিক কি জন্য তাকে রাস্তা থেকে সরাতে চেয়েছিল.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates