জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে পিসিমণির বিয়েকে কেন্দ্র করে যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, গতকালের এপিসোড যেন সেটাকে আরও এক ধাপ উপরে নিয়ে গেল। আমরা দেখতে পেলাম ঐ সমরেশের কুমিরের কান্নায় গলে গিয়ে বিয়ে ছেড়ে পালিয়ে গেল পিসিমণি। 😱
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সমরেশের সাথে একান্তে দেখা করার পর এবং সমরেশের হঠাৎ করে গায়ে হলুদের সময় এসে পড়ার পর পিসিমণি খানিকটা গলে গেলেও, পরে বাড়ির লোকের কথা শুনে উনি নিজের ভুলটা বুঝতে পারেন এবং হাসিখুশি ভাবেই অনিরুদ্ধের সাথে বিয়ের জন্য তৈরি হন.! কিন্তু এরই মাঝেই বিয়ের ঠিক আগেই সমরেশ আবার ফোন করে পিসিমণিকে। সে মিথ্যে মরে যাওয়ার নাটক করে পিসিমণিকে আবার নিজের হাতের মুঠোয় করে নেয়। পিসিমণিও জ্ঞানশূন্য হয়ে চুপি চুপি বাড়ি ছেড়ে সমরেশের কাছে পালিয়ে যায়। 👀
এদিকে অনিরুদ্ধ স্যার বিয়ে করতে চলে আসায় সবাই যখন পিসিমনির খোঁজখবর করে, তখন সবাই আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারে। এরপর পারুল ও রায়ান আর দেরি না করে সমরেশের সেই হোটেলে যায়, যেখানে তারা ওই মাইক্রোচিপটা লাগিয়ে এসেছিল। সেটা শোনার পর পারুল ও রায়ান বুঝতে পারে, যে এইসবের পেছনে রয়েছে শিরিন.! আর তাকে সাহায্য করেছে রায়ানের মা.! এরপর তারা জানতে পারে সমরেশ বিবাহিত। দিল্লিতে তার বউ এবং বাচ্চা রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই সমস্ত কিছু জানার পর চমকে যায় তারা। 👀
এদিকে প্রিক্যাপে আবার দেখতে পাচ্ছি সমরেশ পিসিমণিকে নিয়ে একটি মন্দিরে হাজির হয়। কিন্তু এদিকে পারুল ও রায়ান আবার শিরিনকে কিডন্যাপ করে দড়ি দিয়ে তাকে বেঁধে রাখে। সমরেশ যখন শিরিনকে মেসেজ করে তার এবং পিসিমনির বিয়ের ঠিকানা জানায়, তখন পারুল ও রায়ান সেটা দেখে নেয়। এরপর পারুল বলে, তাদের যেই করেই হোক বিয়েটা হওয়ার আগে পিসিমণিকে উদ্ধার করতেই হবে। 😱
So এখন শুধু এটাই দেখার, পারুল ও রায়ান সঠিক সময়ে ওই মন্দিরে পৌঁছে পিসিমণি ও সমরেশের বিয়েটা আটকাতে পারে, নাকি তারা পৌঁছানোর আগেই সব শেষ হয়ে যায়.? 🤔 সাথে এটাও দেখার, এত বড় অপরাধ করার পরেও শিরিন ও মৌসুমী বসু আবার বেঁচে চায়, নাকি তাদের এবার একটা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




